রাফি হোসেন যখন প্রথমবার tkk99-এ অ্যাকাউন্ট খোলেন, তখন তার কাছে খুব বেশি প্রত্যাশা ছিল না। খুলনায় বসে ক্রিকেট দেখতে দেখতে মাঝেমধ্যে বেট করতেন — মূলত মজার জন্য, তেমন কোনো কৌশল ছাড়াই। প্রথম মাসে তিনি বেশ কিছু হারলেন। কিন্তু হাল ছেড়ে না দিয়ে তিনি বসলেন তার বেটিং হিস্ট্রি নিয়ে। দেখলেন কোথায় ভুল হচ্ছে।
রাফি লক্ষ্য করলেন যে তিনি যখন আবেগের বশে বেট করছেন — যেমন পছন্দের দলকে জেতাবেন বলে বেট করছেন — তখনই সবচেয়ে বেশি হারছেন। কিন্তু যখন পরিসংখ্যান দেখে, পিচ রিপোর্ট পড়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তখন ফলাফল ভালো আসছে। এই উপলব্ধি থেকেই তিনি টস প্রেডিকশনকে তার প্রধান ফোকাস বানালেন।
"আমি বুঝতে পারলাম, বেটিং মানে শুধু ভাগ্য না। এটা তথ্য বিশ্লেষণের খেলা। tkk99-এর ডেটা টুলস আমাকে সেটা শিখতে সাহায্য করেছে।"
— রাফি হোসেন, খুলনাপ্রথম মাস: ভুল থেকে শেখার পর্যায়
রাফি প্রথম মাসে ২৮টি বেট করেছিলেন। এর মধ্যে মাত্র ১২টিতে জিতেছিলেন — জয়ের হার মাত্র ৪৩%। কিন্তু তিনি হারের গল্পগুলো লিখে রাখতেন একটা নোটবুকে। কোন ম্যাচে কেন হারলেন, কোন তথ্যটা মিস করেছিলেন — সব। tkk99-এ ম্যাচ হিস্ট্রি এবং পরিসংখ্যানের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়, সেটা তার কাজে লাগল।
দ্বিতীয় মাস: কৌশল ঠিক করার পর্যায়
দ্বিতীয় মাসে রাফি একটা নিয়ম তৈরি করলেন — প্রতিটি টস বেটের আগে সেই মাঠের গত ২০টি ম্যাচের টস রেজাল্ট দেখবেন, দলের পছন্দ দেখবেন এবং আবহাওয়া রিপোর্ট চেক করবেন। এই তিনটে জিনিস মিলিয়ে তারপর সিদ্ধান্ত নেবেন। দ্বিতীয় মাসে ৩২টি বেটের মধ্যে ২১টিতে জিতলেন — হার ৬৬%। উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন।
তৃতীয় মাস: ধারাবাহিকতার পর্যায়
তৃতীয় মাসে রাফির আত্মবিশ্বাস বেড়েছিল, কিন্তু তিনি অতিরিক্ত বেট করার ভুলে পড়েননি। স্টেক সাইজ ধীরে ধীরে বাড়িয়েছেন — কিন্তু নিজের নির্ধারিত সীমার মধ্যেই থেকেছেন। ৩২টি বেটে ২২টি জয়, হার ৬৮.৭৫%। মোট তিন মাসে tkk99-এ তার নেট লাভ দাঁড়াল ৳৮৪,০০০-এর কাছে।
রাফির গল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো — তিনি কখনো মাসিক বাজেটের বেশি বেট করেননি। প্রতিটি হারের পরে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বড় বেট করার প্রলোভনে পড়েননি। আর tkk99-এ ম্যাচ পরিসংখ্যান এবং লাইভ ডেটা সহজলভ্য বলে তথ্যের অভাব কখনো বাধা হয়নি।